সময় টা মনে পড়ে না তবে (৯২-৯৩) হতে পারে। এত টুকু মনে আছে ,তখন মোটা চাউল পাউয়া যেত ৮-৯ টাকায়, আর সবচেয়ে ভালো চাউল ১১-১২ টাকা । জীবনের চরম দারিদ্রতায় ভুগছিলাম সেই সময় , অনেক ছোট ছিলাম। বড় বোন আর আমি প্রতিদিন সকালে বিলে যেতাম ধান কুঁড়াতে, আমি দাড়িয়ে থাকতাম আপু ধানের শিষ ছিঁড়ত , ঐ ধানের প্রতিটি তে আবার হুল থাকতো , যার আঘাতে আপুর হাতে ঘা হয়ে যেত । কথা বলছিলাম ঝরা ধান নিয়ে , ধান পাকার পরে কাটা হয়, এই ধান কাটার পড়ে যে ধানের গোঁড়া বা মোথা থাকে সেই খান থেকে আবার নতুন কুশি বের হয় , আবার ধান হয় তবে খুব ভালো না মাঝে মাঝে দু এক ঝাড় ধান হয়। জমি ঐ সময় পতিত থাকে বর্শায় ডুবে যাবে বলে । সাধারণত জমি মালিকরা আর বিলে যায় না। এই ভাবে আমরা ধান কুড়াতাম, ১০-১২ কেজি হলে বাজারে নিয়া ভাঙ্গায়া চাউল করে আনতাম । তার পরেই হত ভাত।
পরিস্কার মনে আছে , তখন গম ছিল সহজলভ্য , দিনে একবার ভাত হলে পরের দুবার গমের ভাত রান্না হত , খেতে পারতাম না লবণ দিয়ে খাউয়া লাগত । অনেক পিটানি খাইচি এই ভাত খাবনা বলে। সবাই একসাথে ছিলাম, বাবা , মা ছিলেন একটি সংসার ছিল। আজ বাবা নেই ১৩ বছর হল মারা গেছেন , মা নেই ১০ বছর হল। আজ চাউল কেজি ৩৫-৪০ টাকা তবু ও আজ ভাতের অভাব নেই। আজ অনেক ভালো আছি সমাজে অন্যদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছি , এখন অভাব নেই, সব এই আছে । সুধু কাছে নেই বাবা আর মা।
পরিস্কার মনে আছে , তখন গম ছিল সহজলভ্য , দিনে একবার ভাত হলে পরের দুবার গমের ভাত রান্না হত , খেতে পারতাম না লবণ দিয়ে খাউয়া লাগত । অনেক পিটানি খাইচি এই ভাত খাবনা বলে। সবাই একসাথে ছিলাম, বাবা , মা ছিলেন একটি সংসার ছিল। আজ বাবা নেই ১৩ বছর হল মারা গেছেন , মা নেই ১০ বছর হল। আজ চাউল কেজি ৩৫-৪০ টাকা তবু ও আজ ভাতের অভাব নেই। আজ অনেক ভালো আছি সমাজে অন্যদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছি , এখন অভাব নেই, সব এই আছে । সুধু কাছে নেই বাবা আর মা।
No comments:
Post a Comment