তখন ক্লাস ৮ এ পড়ি , আর ইস্কুলে গিয়া উল্টা পাল্টা কাজ করা ছিল প্রতিদিনের রুটিন । আমাদের একটা টিম ছিল ৫ জনের ,আমরা ইস্কুলে যেতাম রুম খোলার আগেই। একদিন হাজির হইলাম সবাই ইস্কুলে আসার আগে , রুম তখন ও খোলা হয়নাই বারান্দায় দাঁড়াইয়া আছি। হটাত দেখলাম একটা পাখি ভেন্টিলেটরের ভেতর থেকে বাহির হইল। সবাইরে দেখালাম এই খানে কিছু একটা আছে? সবাই রাজি হইল রুম খুলে মিশন শুরু করব পাখীর বাসায় কি আছে।। যাই হক অপেক্ষার পালা শেষ হল চান্দু পিয়নের দরজা খোলার মধ্য দিয়ে। এইবার কাজ শুরু , টেবিল আনলাম ভেন্টিলেটরের নিচ বরাবর দুঃখের বিষয় আমরা কেউই তেমন লম্বা ছিলাম না। অগত্যা চেয়ার তুলতে হল টেবিল এর ওপরে তাও হাতে পাচ্চিলাম না। পাশের রুম থেকে আরেক টা চেয়ার আনলাম কাজ হল আমি ওপরে নিচে ৩ জনে চেয়ার টেবিল ধরে আছে। আমি ভেন্টিলেটরের ভেতরে হাত ধুকালাম মনে হল পাখীর বাচ্চা আছে ধরতে চেষ্টা করলাম দূরে সরে গেল আর ভেতরে হাত দিলাম ভেন্টিলেটরে হাত আঁটকে গেল পায়ের নীচের টেবিল ও সরে গেল নিচে যারা ছিল অপরের চেয়ার হাতের ওপরে পড়ায় তারা ছেড়ে দিয়ে সরে গেল ২ টা চেয়ার নিচে পরে যাওয়ায় আমি ঝুলে থাকলাম । বন্ধুরা উঠে আমাকে নামাল হাতে অনেক বেথা পেলাম । কিছুক্ষণ পরে নিচ থেকে পিওন আসল হেড স্যার ডাকছেন । আসলে আমাদের ক্লাস রুম এর সোজা ঠিক নিচে ছিল হেড স্যার এর রুম । যাই হোক ভয়ে ভয়ে গেলাম, স্যার প্রথমে জিগাইলেন এত জরে শব্দ হল কি হইছে? আমতা আমতা করতাচিলাম ঐ সময় হালা পিওন পুরা ব্যাপারটা কইয়া দিল । কি আর করা স্যার বেত আনতে পাঠাইলেন অনেক আকুতি-মিনতি কাম হইল না, এর কারন ও ছিল প্রতিদিন আমাদের টিম এর নামে দুএকটা বিচার স্যার এর কানে যাইত তিনি হয়তো সুযোগে ছিলেন। যাই হোক আচ্ছা মত ধোলাই দিল ৪ জনরে । অনেক বেথা পাইচিলাম সেই দিন , ইস্কুল লাইফ এ ওই টাই ছিল সর্ব শেষ, ও সরবচ্চ ধোলাই খাওয়া। মাঝে মাঝে স্যার এর সাথে দেখা হয় । আর দেখা হলেই সেই------------- মনে পড়ে ।
No comments:
Post a Comment