১৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫১
সময় টা ঠিক মনে নাই , তবে ৮ বা ৯ এ পড়তাম মনে হয় । বাসায় কিছু নিয়ম ছিল তা হল সন্ধার পরে আর ভোরবেলা এই দু-সময় বাধ্যতামূলক পড়ার টেবিল এ বসতে হত। পড়ি আর না পড়ি ভোরবেলা জানালা খুলে টেবিল এ বসে যেতাম । আর পাশের রাস্তা দিয়ে কে যাচ্ছে তা খেয়াল করতাম, সত্যি বলতে কি ইচ্ছা না থাকলেও চোখ থিকই যেত , আপনারা নিশ্চয় এইখানে আমার দোষ দিবেন না???
যাহোক , মেয়েটি প্রতিদিন নিদিষ্ট সময়েই আসতো, কখনও কখনও আমি জানালা খুলছি বা খুলেছি ঠিক সে ওই সময় হাজির , জানালার কাছে আসলে তার হাঁটার গতি কমে যেত , বুজতাম সবই কিন্তু বিধিবাম কিছু বলার মত খুজে পেতাম না। হা- করে তাকিয়েই থাকতাম শুধু। এলাকায় নতুন হওয়ায় তার নাম জানতাম না কিন্তু রাস্তায় প্রতিদিন ই দেখা হত। এইভাবে মাস দু-এক যাওয়ার পরে এক ছোট ভাই এর মাধ্যমে নামটা জেনে নিলাম, কোথায় পড়ে ? কোন ক্লাস এ পড়ে সব আরও খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম আমাদের বাসার পিছনের ৩ বাড়ি পরেই তাদের বাড়ি ।
একদিন ভোরবেলা শিতের সকালে অনেক কুয়াশা ছিল, আমি জানালা পুরো খুলি নাই , মেয়েটি জানালার পাশে এসে দাঁড়াল , আমি হতভম্ব এটা কি হল? এই মেয়ে ত কোনোদিন এইখানেই দাঁড়ায় নাই... তবে আজ কেন?
আমি চুপ করেই থাকলাম সে বলল তোমার নাম কি? তুমি তো অনেক ভালো দেখ আমাদের পাড়ায় তুমি একমাত্র যে এত ভোরে পড়তে বসে। মনে মনে কইলাম আরে তুই কি বুজবি ? মজার ঘুম নস্ত কইরা কি সাধে বয়া রইছি ? বলে রাখা ভালো আমাকে ঘুম থেকে তুলে সবাই আবার ঘুমাত , বাসার সবাই ৭ টায় উঠলেও আমারে ডাকা হত আজানের সাথে সাথে। আমি নাম বললাম, সে বলল আমি যাই পরে কথা হবে। অনেক দূর চলে গেল কিন্তু ভুলে গেলাম তার নাম জিজ্ঞাসা করতে । এর পরের দিন থেকে নিয়মিত কথা হত কেমন আছ? আজ স্কুল নাই? ইত্যাদি । একদিন বলল তুমি তো অনেক খারাপ বসতেও বল না । কিছু উত্তর না করে বেল্কুনির দরজা খুলে দিলাম , ভেতরে আসলো , হালকা পাতলা কিছু কথা হল , কথা বলছিলাম ঠিক কিন্তু ভয় পাছিলাম বাসার কেউ দেখলে না জানি কি হয় ? আমার টেবিল এর পাশে অনেক ছিডি ক্যাসেট ছিল দুইটা চাইল বললাম নিয়ে যাও।
তার পড়ে যোগাযোগ ছিল মোটামুটি । ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এলাকা ছাড়তে হল পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই । মনে অনেক টান অনুভব করলেও বোলার সাহস ছিল না। কতই না বোকা আর নির্বোধ ছিলাম আমি । মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে ষোড়শী তোমারে ।
সময় টা ঠিক মনে নাই , তবে ৮ বা ৯ এ পড়তাম মনে হয় । বাসায় কিছু নিয়ম ছিল তা হল সন্ধার পরে আর ভোরবেলা এই দু-সময় বাধ্যতামূলক পড়ার টেবিল এ বসতে হত। পড়ি আর না পড়ি ভোরবেলা জানালা খুলে টেবিল এ বসে যেতাম । আর পাশের রাস্তা দিয়ে কে যাচ্ছে তা খেয়াল করতাম, সত্যি বলতে কি ইচ্ছা না থাকলেও চোখ থিকই যেত , আপনারা নিশ্চয় এইখানে আমার দোষ দিবেন না???
যাহোক , মেয়েটি প্রতিদিন নিদিষ্ট সময়েই আসতো, কখনও কখনও আমি জানালা খুলছি বা খুলেছি ঠিক সে ওই সময় হাজির , জানালার কাছে আসলে তার হাঁটার গতি কমে যেত , বুজতাম সবই কিন্তু বিধিবাম কিছু বলার মত খুজে পেতাম না। হা- করে তাকিয়েই থাকতাম শুধু। এলাকায় নতুন হওয়ায় তার নাম জানতাম না কিন্তু রাস্তায় প্রতিদিন ই দেখা হত। এইভাবে মাস দু-এক যাওয়ার পরে এক ছোট ভাই এর মাধ্যমে নামটা জেনে নিলাম, কোথায় পড়ে ? কোন ক্লাস এ পড়ে সব আরও খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম আমাদের বাসার পিছনের ৩ বাড়ি পরেই তাদের বাড়ি ।
একদিন ভোরবেলা শিতের সকালে অনেক কুয়াশা ছিল, আমি জানালা পুরো খুলি নাই , মেয়েটি জানালার পাশে এসে দাঁড়াল , আমি হতভম্ব এটা কি হল? এই মেয়ে ত কোনোদিন এইখানেই দাঁড়ায় নাই... তবে আজ কেন?
আমি চুপ করেই থাকলাম সে বলল তোমার নাম কি? তুমি তো অনেক ভালো দেখ আমাদের পাড়ায় তুমি একমাত্র যে এত ভোরে পড়তে বসে। মনে মনে কইলাম আরে তুই কি বুজবি ? মজার ঘুম নস্ত কইরা কি সাধে বয়া রইছি ? বলে রাখা ভালো আমাকে ঘুম থেকে তুলে সবাই আবার ঘুমাত , বাসার সবাই ৭ টায় উঠলেও আমারে ডাকা হত আজানের সাথে সাথে। আমি নাম বললাম, সে বলল আমি যাই পরে কথা হবে। অনেক দূর চলে গেল কিন্তু ভুলে গেলাম তার নাম জিজ্ঞাসা করতে । এর পরের দিন থেকে নিয়মিত কথা হত কেমন আছ? আজ স্কুল নাই? ইত্যাদি । একদিন বলল তুমি তো অনেক খারাপ বসতেও বল না । কিছু উত্তর না করে বেল্কুনির দরজা খুলে দিলাম , ভেতরে আসলো , হালকা পাতলা কিছু কথা হল , কথা বলছিলাম ঠিক কিন্তু ভয় পাছিলাম বাসার কেউ দেখলে না জানি কি হয় ? আমার টেবিল এর পাশে অনেক ছিডি ক্যাসেট ছিল দুইটা চাইল বললাম নিয়ে যাও।
তার পড়ে যোগাযোগ ছিল মোটামুটি । ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এলাকা ছাড়তে হল পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই । মনে অনেক টান অনুভব করলেও বোলার সাহস ছিল না। কতই না বোকা আর নির্বোধ ছিলাম আমি । মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে ষোড়শী তোমারে ।